পোস্টগুলি

জানুয়ারি, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

এপস্টেইন সংক্রান্ত নথিতে মোদির নাম: ভারতে রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে

ছবি
 যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ সম্প্রতি যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিপুল পরিমাণ নথি প্রকাশ করেছে। এসব নথি প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রকাশিত কাগজপত্রে একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম উঠে আসায় বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, এপস্টেইন সংশ্লিষ্ট প্রায় ৩০ লাখ পৃষ্ঠা নথি, ১ লাখ ৮০ হাজার ছবি এবং প্রায় ২ হাজার ভিডিও জনসমক্ষে আনা হয়েছে। এসব নথিতে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ও বর্তমান রাজনীতিকদের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নাম উল্লেখ থাকার দাবি করা হচ্ছে। এর মধ্যেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নাম থাকার কথাও আলোচনায় এসেছে, যা ঘিরে ভারতে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানায়। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক ভিডিও বিবৃতিতে বলেন, এ ধরনের দাবি ‘ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও নিন্দনীয়’। তিনি দাবি করেন, প্রকাশিত নথির বিশ্বাসযোগ্যতা যাচাই ছাড়া এ ধরনের বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া ঠিক নয় এবং এসব অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যানযোগ্য। ...

সূর্যকন্যা: আমাদেরই পথের পাঁচালি

ছবি
  স্কুলে পড়ার সময় সূর্যকন্যা সিনেমাটা প্রথম দেখা। তখন বুঝিনি, অনেক বছর পরে এই সিনেমা মাথার ভেতর এমনভাবে বাসা বাঁধবে। পরে কোনো এক সময় একটা সিনেমা ম্যাগাজিনে এর চিত্রনাট্য ছাপা হয়েছিল। পড়তে পড়তে এমন অবস্থা হয়েছিল যে, সংলাপগুলো প্রায় মুখস্থ হয়ে গিয়েছিল। ঢাকার সেই সময়কার শেরাটন হোটেল—বিশেষ করে ওদের সুইমিং পুল—আমাকে অদ্ভুতভাবে টানতো। কেন টানতো, তখন হয়তো পরিষ্কার বুঝতাম না। পরে বুঝেছি, সূর্যকন্যার সেই গানটার কারণেই। ওখানে গেলেই মাথার ভেতর রিনরিন করে উঠতো— “আমি যে আধারে বন্দিনী, আমাকে আলোতে ডেকে নাও…” এই লাইনটা শুধু গান নয়, যেন একটা সময়ের দীর্ঘশ্বাস। আমার বিবেচনায়, সূর্যকন্যা বাংলাদেশের নিজস্ব পথের পাঁচালি। সত্তরের দশকের তারুণ্য—ভালোবাসা, দ্বন্দ্ব, স্বপ্ন আর ভাঙনের গল্প—এতো সংবেদনশীলভাবে আর কোনো সিনেমায় ধরা পড়েনি। এখানে কোনো অতিনাটক নেই, আছে জীবনের নিরেট বাস্তবতা। বহু বছর পরে পরিণত বয়সে গিয়ে যখন হলিউডের Mannequin সিনেমাটা দেখি, তখন সত্যিই চমকে উঠেছিলাম। গল্পের কাঠামো, অনুভূতির গতিপথ—অদ্ভুতভাবে মিল খুঁজে পেলাম। তখনই মাথায় আসে, এই দুইটা সিনেমা নিয়ে কিছু লেখা দরকার। ফেসবুকে সেই লেখাটা দিয়েছি...

ইশরাক জামায়াতে ইসলামীর ভোটের ক্যাম্পেইন করতে দিবেনা, ঘোষণা দিছে।

ছবি
 ইশরাক জামায়াতে ইসলামীর ভোটের ক্যাম্পেইন করতে দিবেনা, ঘোষণা দিছে। এইটার নাম "বিম্পির গনতন্ত্র"। আওয়ামী লীগের আমলে বিম্পি ইলেকশন করছে। ক্যাম্পেইন করতে বাধা দিছে আওয়ামী লীগ, কিন্তু আওয়ামী লীগ প্রকাশ্যে বলে নাই যে বিম্পিকে ক্যাম্পেইন করতে দিবেনা। বিম্পি একটি নিকৃষ্ট আওয়ামী লীগ। বিম্পি যদি ক্ষমতায় আসে (আল্লাহ না করুক) সে হাসিনার চাইতে নিকৃষ্ট ফ্যাসিবাদ কায়েম করবে। লিখে রাখতে পারেন। ১৯৭১ এ পাকিস্তানিদের তাড়াইতে গিয়া ইন্ডিয়াকে ডাইক্যা আনিছি। ২০২৪ এ হাসিনারে তাড়াইতে গিয়া বিম্পিরে আনছি। আমরা সবসময় কুত্তা তাড়াইতে গিয়া নেকড়েকে ডাইক্যা আনি। আফসোস।

জালিম বিম্পির হামলায় শেরপুর-৩ আসনের আওতাধীন শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম শহীদ হয়েছেন।

ছবি
 জালিম বিম্পির হামলায় শেরপুর-৩ আসনের আওতাধীন শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম শহীদ হয়েছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর পর এটিই প্রথম রাজনৈতিক হ'ত্যাকা'ণ্ড। যা তথাকথিত বড় দল বিম্পির মাধ্যমে সংঘটিত হলো। সহকারী রিটার্নিং অফিসারের সামনে সরাসরি ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে এ হামলার ঘটনা ঘটে। যথারীতি বিএনপি তাদের শেরপুর জেলা কমিটি স্থগিত করেছে। আগামী তিন মাস পর তাদের আবার ফিরিয়ে নেওয়া হবে। যেভাবে ৫ আগস্টের পর সকল বহিষ্কৃতকে নির্বাচনের আগে আবার দলে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রিয় দেশবাসী, নব্য জালিমদের বিরুদ্ধে আপনারা রুখে দাঁড়ান। ইনসাফের কাফেলার মাওলানা রেজাউল করিমের শহীদি মৃত্যু সৃষ্টিকর্তা যেন কবুল করেন।  আমরাই বাংলাদেশ ইনকিলাব জিন্দাবাদ

জামায়াত নেতাকে গলা টিপে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ: বিএনপি প্রার্থীর ছেলেকে তলব

ছবি
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি  চাঁপাইনবাবগঞ্জে নির্বাচনি উত্তাপের মধ্যে এবার সহিংসতার অভিযোগে আলোচনায় বিএনপি প্রার্থীর পরিবার। জামায়াতে ইসলামীর এক স্থানীয় নেতার ওপর হামলা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনের বিএনপি প্রার্থীর ছেলে রুবাইয়াত ইবনে হারুন রাফিকে তলব করেছে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করেন নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যান এবং সিভিল জজ মো. মেহেদী হাসান। কমিটির আদেশে বলা হয়েছে, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। এ কারণে আগামী বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) তাকে সশরীরে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে—কেন তার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে না। এ ঘটনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকেও (ওসি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করে দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে। নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির মতে, অভিযোগে উত্থাপিত কর্মকাণ্ড গণপ্রতিন...

যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তারা আজ দাঁড়িপাল্লা নিয়ে ভোট চাইছে: মির্জা ফখরুল

ছবি
 যারা একাত্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তারা আজ দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে মানুষের কাছে ভোট চাইতে আসছে—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ ধরনের শক্তির বিষয়ে ভোটারদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের আউলিয়াপুর ইউনিয়নে এক পথসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন। ওই সভায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বক্তব্যে তিনি মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ১৯৭১ সালে দেশের মানুষ পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছিল। সে সময় যারা স্বাধীনতার পক্ষে ছিলেন, তারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাননি। কিন্তু যারা তখন বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তারাই আজ নতুন রূপে জনগণের কাছে ভোট চাইছে। তিনি বলেন, এই বাস্তবতা মনে রেখে ভোটারদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান। আসন্ন সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব বলেন, সব ধরনের ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিতে হবে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশের মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করার জন্য একাধিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। ত...

গণভোটকে কেন্দ্র করে ‘না’ ভোটের প্রচারণা—জুলাই সনদের প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসছে কি বিএনপি?

ছবি
 রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে ঘোষিত গণভোটকে সামনে রেখে সারাদেশ থেকে উদ্বেগজনক অভিযোগ উঠে আসছে। বিভিন্ন এলাকায় বিএনপির মাঠপর্যায়ের নেতা-কর্মীরা ভোটারদের ‘না’ বাক্সে ভোট দেওয়ার জন্য প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। যখন দেশের মানুষ রাষ্ট্র পরিচালনা, বিচারব্যবস্থা ও রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বাস্তব পরিবর্তনের প্রত্যাশা করছে, তখন একটি প্রধান রাজনৈতিক দলের এমন অবস্থান স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। বিশেষ করে ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’-এ স্বাক্ষরের পর বিএনপির এই ভূমিকা অনেকের কাছে রাজনৈতিক দ্বিচারিতা ও বিশ্বাসঘাতকতার শামিল বলে মনে হচ্ছে। সংস্কারের অঙ্গীকার করে পরে তা বাস্তবায়নে অনাগ্রহ দেখানো জাতির সঙ্গে প্রতারণা ছাড়া আর কিছু নয়—এমন মন্তব্যও শোনা যাচ্ছে সচেতন নাগরিকদের মুখে। অন্যদিকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, রাষ্ট্রের বিভিন্ন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং অধিকাংশ রাজনৈতিক দল জুলাই জাতীয় সনদের আলোকে সংবিধান সংস্কারের পক্ষে জনমত গঠনে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে। এই প্রচারণায় বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে— রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কার বিচার বিভাগের স্বাধীনতা জনগণের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার দেশের সাধারণ মানুষও...

নবম–দশম শ্রেণির বইয়ে কী শেখানো হচ্ছে আমাদের সন্তানদের?

ছবি
 নবম ও দশম শ্রেণির নতুন পাঠ্যবইয়ে কিছু বিষয় যুক্ত হওয়াকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কারণ এই বয়সটা কোনো সাধারণ বয়স না—এটা চরিত্র গঠনের সময়, নৈতিকতা শেখার সময়, জীবনকে বোঝার সময়। কিন্তু দুঃখজনকভাবে দেখা যাচ্ছে, এই সংবেদনশীল বয়সে পড়ুয়াদের সামনে এমন কিছু ধারণা হাজির করা হচ্ছে, যেগুলো আমাদের সমাজ, পরিবার এবং ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে স্পষ্টভাবে সাংঘর্ষিক। প্রশ্ন হলো— এগুলো কি আদৌ স্কুলপাঠ্য বইয়ে থাকার কথা? ধর্মীয় মূল্যবোধকে পাশ কাটিয়ে শিক্ষা? বাংলাদেশের মানুষ ধর্মনির্ভর। ইসলামসহ দেশের প্রধান ধর্মগুলো পরিবার, নৈতিকতা ও সামাজিক শালীনতার ব্যাপারে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে। সেই বাস্তবতাকে উপেক্ষা করে পাঠ্যবইয়ে এমন বিষয় ঢোকানো মানে—কোটি কোটি মানুষের বিশ্বাসকে অপ্রাসঙ্গিক করে দেওয়া। রাষ্ট্র কি তাহলে ধরে নিচ্ছে, ধর্মীয় মূল্যবোধ শিক্ষার পথে বাধা? নাকি ইচ্ছাকৃতভাবেই এই বিষয়গুলো চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে? এই প্রশ্নগুলোর কোনো স্পষ্ট জবাব আমরা পাচ্ছি না। সামাজিক বাস্তবতা কি বিবেচনায় আছে? নবম–দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এখনো মানসিকভাবে পূর্ণতা পায়নি। তারা যা পড়ে, ত...

চৌদ্দগ্রামে বিএনপির সমাবেশে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তীব্র আলোচনা

ছবি
 কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বিএনপির একটি নির্বাচনী সমাবেশে দেওয়া ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া মাত্র ৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ক্লিপ বিষয়টিকে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা বিএনপির আয়োজনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে এই ঘটনা ঘটে। সমাবেশের প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তবে তিনি মঞ্চে ওঠার আগেই বক্তব্য দিতে গিয়ে একাধিকবার ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবির আব্দুল্লাহ চৌধুরী। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, আবির আব্দুল্লাহ চৌধুরী আবেগঘন কণ্ঠে বলেন— “আজ এই মঞ্চ থেকে আমার যদি মৃত্যুও হয়, তবু আমি হাজারবার বলব—জয় বাংলা।” আবির আব্দুল্লাহ চৌধুরী চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগন্নাথ দিঘী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ চৌধুরী পাশার ছেলে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, তার বাবা বর্তমানে জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) চৌদ্দগ্রাম উপজেলা শাখার সভাপতি। ঘটনাটি নিয়ে সমালোচনার মুখে আবির আব্দুল্লাহ ...

বেগম জিয়ার রাজনৈতিক কৌশল ও বিএনপির বর্তমান পদক্ষেপ: জাতীয় ঐক্ য ও বিপজ্জনক পথে

ছবি
 বেগম জিয়াকে কেন্দ্র করে জামায়াতের সঙ্গে রাজনৈতিক ঐক্যের বিষয়টি এখনও বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু। বিএনপি ও জামায়াতের কিছু অংশ এটি স্বাভাবিক রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে দেখলেও, দেশের অনেক নাগরিক মনে করছেন এটি বিপজ্জনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। ২০০৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত, আওয়ামী লীগ এবং ভারতের সহায়তায় বাংলাদেশে বিভিন্ন হত্যাকাণ্ড, গুম, নির্যাতন, মিথ্যা মামলা এবং অর্থনৈতিক লুটপাটের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সেই সময় বিএনপির কাছে ভারত ও ক্ষমতাসীন নেত্রী হাসিনার দাবি ছিল—“জামাতের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করা।” জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে জনগণ দেশ থেকে হাসিনাকে প্রত্যাহার করার পরও, বিএনপির বর্তমান নেতৃত্ব কিছু ভুল পথে এগোচ্ছে বলে সমালোচনা দেখা দিয়েছে। তাদের পদক্ষেপে রাজনৈতিক ঐক্য ও জাতীয় স্বার্থের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ পাচ্ছে। ঐতিহাসিকভাবে, জামায়াতের সঙ্গে ঐক্যই ছিল বেগম খালেদা জিয়ার সুস্পষ্ট রাজনৈতিক কৌশল। এটি শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নীতি ও কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে আজকের নেতৃত্ব ঐ ঐতিহ্যকে অবজ্ঞা করছে এবং সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় ঐক্যের বিপরীত দিকে এগোচ্ছে। দেশবাসী যখন এই অবস্থার প্রশ্ন করছে, ...

বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে এলো ১২৫ মেট্রিক টন বিস্ফোরক, জারি সর্বোচ্চ সতর্কতা

ছবি
 বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে এলো ১২৫ মেট্রিক টন বিস্ফোরক, জারি সর্বোচ্চ সতর্কতা যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর ব্যবহার করে ভারত থেকে বাংলাদেশে ১২৫ মেট্রিক টন বিস্ফোরক দ্রব্য আমদানি করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় ভারতের আটটি ট্রাকে করে আনা এই বিপজ্জনক শ্রেণিভুক্ত চালানটি বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করে। বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক বহন করায় পুরো বন্দর এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। চালানটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে বাড়তি নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জানা গেছে, আমদানিকৃত বিস্ফোরকগুলো দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং প্রকল্পের খনন কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য আনা হয়েছে। এই বিস্ফোরকের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড, আর রপ্তানিকারক হিসেবে রয়েছে ভারতের সুপার শিভ শক্তি কেমিক্যাল প্রাইভেট লিমিটেড। জনবহুল এলাকায় বিপজ্জনক পণ্য সংরক্ষণ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বন্দর এলাকায় কর্মরত শ্রমিক, ব্যবসায়ী এবং আশপাশের বস...